যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনালের বিচার কুিসত - ইকোনমিস্ট : হত্যায় সাঈদী জড়িত ছিলেন না, ট্রাইব্যুনালকে বলতেন সুখরঞ্জন বালী
যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনালের বিচার কুিসত - ইকোনমিস্ট : হত্যায় সাঈদী জড়িত ছিলেন না, ট্রাইব্যুনালকে বলতেন সুখরঞ্জন বালী
যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনালের বিচারকে ‘কুিসত’ (অকওয়ার্ড) বলে মন্তব্য করে লন্ডনভিত্তিক প্রভাবশালী সাময়িকী ইকোনমিস্টের এক নিবন্ধে বলা হয়েছে, মাওলানা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর স্বাক্ষী অপহৃত সুখরঞ্জন বালী ট্রাইব্যুনালকে বলতেন যে পাকিস্তান সেনাবাহিনীর কর্মকর্তারা তার ভাইকে হত্যা করেছিল। হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে মাওলানা সাঈদী জড়িত ছিলেন না।

‘বাংলাদেশ : এভার মার্কিয়ার’ শিরোনামে ইকোনমিস্টের অনলাইন সংস্করণে গতকাল প্রকাশিত নিবন্ধে বলা হয়, সুখরঞ্জন বালী প্রকৃতপক্ষে রাষ্ট্রপক্ষের স্বাক্ষী ছিলেন। তার তথাকথিত ‘লিখিত সাক্ষ্যে’ বলা হয়েছিল যে ১৯৭১ সালে মাওলানা সাঈদীর নির্দেশে তার ভাইকে হত্যা করা হয়েছিল। কিন্তু আদালতে তিনি বিপরীত বক্তব্য দিতে এসেছিলেন।
ট্রাইব্যুনালকে সুখরঞ্জন বালী বলতেন যে পাকিস্তান সেনাবাহিনীর কর্মকর্তারা তার ভাইকে হত্যা করেছিল। হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে মাওলানা সাঈদী জড়িত ছিলেন না। কিন্তু তার আগেই নিরাপত্তা বাহিনী তাকে অপহরণ করে। কারণ তারা সাঈদীকে ফাঁসির কাষ্ঠে ঝোলাতে চায়।
গত ৫ নভেম্বর আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে মাওলানা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর পক্ষে সাক্ষ্য দিতে আসার পথে সাদা পোশাকের গোয়েন্দা পুলিশ সদস্যরা তাকে অপহরণ করে নিয়ে যায়। অপহরণের পর আসামিপক্ষের আইনজীবী মিজানুল ইসলাম শাহবাগ থানায় জিডি করতে চাইলে পুলিশ তাও গ্রহণ করেনি।
আসামিপক্ষের আইনজীবীরা জানান, তাকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সাদা পোশাকধারী সদস্যরা অপহরণ করেছে। সাদা পোশাকের লোকজন যখন গাড়ি থেকে নামিয়ে সুখরঞ্জন বালীকে ধরে নিয়ে যাচ্ছিল তখন সেখানে দায়িত্বরত অন্য পুলিশ সদস্যরা কোনো বাধা দেয়নি। তারা নীরব দর্শকের ভূমিকা পালন করেছে। আইনজীবীরা বালীকে ধরে নিয়ে যাওয়ার সময় বাধা দিলে সাদা পোশাকের লোকজন নিজেদের ডিবি পুলিশের পরিচয় দেয় এবং জানায় সাক্ষীকে ধরে নিয়ে যাওয়ার বিষয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা রয়েছে। তারা তাকে মিন্টো রোডে ডিবি অফিসে নিয়ে যাচ্ছে বলে জানান আইনজীবীদের।
আসামিপক্ষের প্রধান আইনজীবী ব্যারিস্টার আবদুর রাজ্জাক তখনই বিষয়টি ট্রাইব্যুনালকে অবহিত করেন এবং তাকে হাজির করার জন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রতি নির্দেশনা প্রদানের আবেদন জানান। ট্রাইব্যুনাল চিফ প্রসিকিউটরকে নির্দেশ দেন মাত্র বিষয়টি সম্পর্কে খোঁজখবর নেয়ার জন্য।
আসামিপক্ষের তিনজন আইনজীবী এবং গাড়ির ড্রাইভার সাক্ষী অপহরণ ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী। এরা হলেন মিজানুল ইসলাম, মনজুর আহমদ আনসারী ও হাসানুল বান্না সোহাগ।
ইকোনমিস্টের নিবন্ধে বলা হয়, বালীকে অপহরণের ব্যাপারে সরকার যে জবাব দিয়েছে তা বিশ্বাস করা কঠিন। এসব ঘটনায় বিশ্বাস করা কঠিন যে সর্বোচ্চ মান বজায় রেখে বিচার করা হচ্ছে। যারা অনেক দিন ধরে ট্রাইব্যুনালের কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করছেন, তারাও বলছেন যে তাড়াহুড়ো করে বিচার শেষ করার প্রবণতা দেখা যাচ্ছে। আগামী নির্বাচনের আগেই বিচার শেষ করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।
নিবন্ধে বলা হয়, এজন্য আসামিপক্ষের সাক্ষীর সংখ্যা কমিয়ে দিয়েছে ট্রাইবুনাল। মাওলানা সাঈদীর পক্ষের ৪৬ জন সাক্ষীর মধ্যে ২৮ জনের নামই বাদ দিয়েছে ট্রাইব্যুনাল। ট্রাইব্যুনাল গোলাম আযমের পক্ষে ২ হাজার সাক্ষীর তালিকা দেয়া হলেও মাত্র ১২ জনকে সাক্ষী দেয়ার অনুমতি দিয়েছে ট্রাইব্যুনাল। ট্রাইব্যুনালের কার্যক্রম কুিসত রকমের। সবচেয়ে বড় সমস্যা হলো আসল যুদ্ধাপরাধী পাকিস্তান সেনাবাহিনীর কর্মকর্তাদের আদালতে হাজির করা যায়নি। কারণ তারা তো পাকিস্তানে
ট্রাইব্যুনালকে সুখরঞ্জন বালী বলতেন যে পাকিস্তান সেনাবাহিনীর কর্মকর্তারা তার ভাইকে হত্যা করেছিল। হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে মাওলানা সাঈদী জড়িত ছিলেন না। কিন্তু তার আগেই নিরাপত্তা বাহিনী তাকে অপহরণ করে। কারণ তারা সাঈদীকে ফাঁসির কাষ্ঠে ঝোলাতে চায়।
গত ৫ নভেম্বর আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে মাওলানা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর পক্ষে সাক্ষ্য দিতে আসার পথে সাদা পোশাকের গোয়েন্দা পুলিশ সদস্যরা তাকে অপহরণ করে নিয়ে যায়। অপহরণের পর আসামিপক্ষের আইনজীবী মিজানুল ইসলাম শাহবাগ থানায় জিডি করতে চাইলে পুলিশ তাও গ্রহণ করেনি।
আসামিপক্ষের আইনজীবীরা জানান, তাকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সাদা পোশাকধারী সদস্যরা অপহরণ করেছে। সাদা পোশাকের লোকজন যখন গাড়ি থেকে নামিয়ে সুখরঞ্জন বালীকে ধরে নিয়ে যাচ্ছিল তখন সেখানে দায়িত্বরত অন্য পুলিশ সদস্যরা কোনো বাধা দেয়নি। তারা নীরব দর্শকের ভূমিকা পালন করেছে। আইনজীবীরা বালীকে ধরে নিয়ে যাওয়ার সময় বাধা দিলে সাদা পোশাকের লোকজন নিজেদের ডিবি পুলিশের পরিচয় দেয় এবং জানায় সাক্ষীকে ধরে নিয়ে যাওয়ার বিষয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা রয়েছে। তারা তাকে মিন্টো রোডে ডিবি অফিসে নিয়ে যাচ্ছে বলে জানান আইনজীবীদের।
আসামিপক্ষের প্রধান আইনজীবী ব্যারিস্টার আবদুর রাজ্জাক তখনই বিষয়টি ট্রাইব্যুনালকে অবহিত করেন এবং তাকে হাজির করার জন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রতি নির্দেশনা প্রদানের আবেদন জানান। ট্রাইব্যুনাল চিফ প্রসিকিউটরকে নির্দেশ দেন মাত্র বিষয়টি সম্পর্কে খোঁজখবর নেয়ার জন্য।
আসামিপক্ষের তিনজন আইনজীবী এবং গাড়ির ড্রাইভার সাক্ষী অপহরণ ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী। এরা হলেন মিজানুল ইসলাম, মনজুর আহমদ আনসারী ও হাসানুল বান্না সোহাগ।
ইকোনমিস্টের নিবন্ধে বলা হয়, বালীকে অপহরণের ব্যাপারে সরকার যে জবাব দিয়েছে তা বিশ্বাস করা কঠিন। এসব ঘটনায় বিশ্বাস করা কঠিন যে সর্বোচ্চ মান বজায় রেখে বিচার করা হচ্ছে। যারা অনেক দিন ধরে ট্রাইব্যুনালের কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করছেন, তারাও বলছেন যে তাড়াহুড়ো করে বিচার শেষ করার প্রবণতা দেখা যাচ্ছে। আগামী নির্বাচনের আগেই বিচার শেষ করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।
নিবন্ধে বলা হয়, এজন্য আসামিপক্ষের সাক্ষীর সংখ্যা কমিয়ে দিয়েছে ট্রাইবুনাল। মাওলানা সাঈদীর পক্ষের ৪৬ জন সাক্ষীর মধ্যে ২৮ জনের নামই বাদ দিয়েছে ট্রাইব্যুনাল। ট্রাইব্যুনাল গোলাম আযমের পক্ষে ২ হাজার সাক্ষীর তালিকা দেয়া হলেও মাত্র ১২ জনকে সাক্ষী দেয়ার অনুমতি দিয়েছে ট্রাইব্যুনাল। ট্রাইব্যুনালের কার্যক্রম কুিসত রকমের। সবচেয়ে বড় সমস্যা হলো আসল যুদ্ধাপরাধী পাকিস্তান সেনাবাহিনীর কর্মকর্তাদের আদালতে হাজির করা যায়নি। কারণ তারা তো পাকিস্তানে

২৩ টি মন্তব্য |
২৪৪ বার প্রদর্শিত 









