স্ত্রীকে আগুনে
বগুড়ায় যৌতুক দাবিতে স্ত্রীকে আগুনে পুড়িয়ে মারার চেষ্টা : সিলেটে কলেজছাত্রীর ভিডিও নিয়ে তোলপাড়, বাজিতপুরে ধর্ষণ
ডেস্ক রিপোর্ট

বগুড়ায় যৌতুক দাবিতে শরীরে স্পিরিট ঢেলে স্ত্রীকে পুড়িয়ে মারার চেষ্টা করেছে এক পাষণ্ড। এ ঘটনায় পুলিশ ফারুক হোসেন নামে ওই পাষণ্ডকে গ্রেফতার করেছে। সিলেটে জন্ম-দিনের অনুষ্ঠানের কথা বলে ডেকে নিয়ে বন্ধুদের দিয়ে কলেজছাত্রীকে ধর্ষণ ও ধর্ষণের দৃশ্য মোবাইলে ছড়িয়ে দেয়ার ঘটনায় তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে। এ ঘটনায় পুলিশ ধর্ষিতার বান্ধবী ঊর্মিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এছাড়া কিশোরগঞ্জের বাজিত-পুরে প্রতারক প্রেমিকার খপ্পরে পড়ে ধর্ষিত হয়েছেন এক তরুণী। বিস্তারিত আমাদের প্রতিনিধিদের পাঠানো খবরে:
বগুড়ায় পুড়িয়ে মারার চেষ্টা : বগুড়ার দুপচাঁচিয়ায় রোববার সন্ধ্যায় যৌতুক দাবিতে স্ত্রী সাবিনা ইয়াসমিনকে শরীরে স্পিরিট ঢেলে আগুন দিয়ে হত্যার চেষ্টা চালিয়েছে স্বামী ফারুক হোসেন। এ ব্যাপারে মামলা দায়ের হলে পুলিশ ফারুক হোসেনকে গ্রেফতার করেছে। ফারুক হোসেন উপজেলা সদরের ধাপ গ্রামের নজরুল ইসলামের ছেলে।
থানা সূত্রে জানা গেছে, জয়পুরহাট জেলার আক্কেলপুর উপজেলার হালির মোড় ভাণ্ডারিপাড়ার আবু বকর ছিদ্দিকের মেয়ে সাবিনা ইয়াসমিনের সঙ্গে সাত বছর আগে ফারুক হোসেনের বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই ফারুক ও তার পরিবারের লোকজনরা যৌতুকের দাবিতে বিভিন্ন সময় সাবিনা ইয়াসমিনকে নির্যাতন করছিল। সবশেষে শুক্রবার দুপুরে ফারুক ও তার পরিবারের লোকজন সাবিনা ইয়াসমিনের ওপর নির্যাতন করতে থাকে। একপর্যায়ে তার শরীরে স্পিরিট ঢেলে আগুন লাগিয়ে দেয়। এ সময় তার চিত্কারে প্রতিবেশীরা এসে তাকে উদ্ধার করে স্থানীয় একটি ক্লিনিকে ভর্তি করেন।
সিলেটে কলেজছাত্রীর নগ্ন ছবি নিয়ে তোলপাড় : বখাটেদের খপ্পরে পড়ে সামাজিক ও মানসিক নিপীড়নের শিকার হয়েছে সিলেটের গোলাপগঞ্জ উপজেলার এক কলেজছাত্রী। তার নগ্ন ভিডিও ক্লিপ মোবাইলের মাধ্যমে প্রচার করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। সিলেটের শাহপরান থানায় এ ঘটনায় ভুক্তভোগী ওই ছাত্রী পাঁচ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত আরও ৩-৪ জনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেছেন। পরে বুধবার সন্ধ্যায় কদমতলী পয়েন্ট থেকে কম্পিউটারসহ সুলতান নামের এক ব্যবসায়ীকে আটক করেছে পুলিশ। এছাড়া ওই রাতেই মামলার ১ নম্বর আসামি দক্ষিণ সুরমার পালপুর গ্রামের বাবুল মিয়ার মেয়ে ঊর্মিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পরদিন কুশিঘাট এলাকা থেকে মিজান আহমদ নামে অপর এক যুবককে পুলিশ গ্রেফতার করেছে।
ঊর্মির দেয়া তথ্যমতে, পুলিশ দক্ষিণ সুরমা ও সিলেট নগরীর বিভিন্ন স্থানে অন্যান্য আসামিকে গ্রেফতারের জন্য অভিযান অব্যাহত রেখেছে। আসামিরা হচ্ছে— দক্ষিণ সুরমা উপজেলার জৈনপুর গ্রামের শানুর মেম্বারের ছেলে লিমন, শিববাড়ী এলাকার কয়েছ, পালপুর কুশিঘাট গ্রামের রাব্বি, মাছিমপুরের মৃত চান মিয়ার ছেলে শাহীসহ অজ্ঞাত ৩-৪ জন। বাদী কলেজছাত্রী তার লিখিত এজাহারে উল্লেখ করেছেন, আসামি ঊর্মির সঙ্গে তিনি চলতি বছর ইছরাব আলী উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজ থেকে এসএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেন। বর্তমানে ছাত্রীটি নগরীর একটি কলেজে অধ্যয়নরত। ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক থাকার সুবাদে গত ১১ সেপ্টেম্বর ঊর্মি একটি সিএনজি অটোরিকশাযোগে জন্মদিনের অনুষ্ঠানের কথা বলে তাকে নিয়ে যায় শাহজালাল উপশহরের একটি বাসায়। সেখানে জন্মদিনের অনুষ্ঠানের কোনো আয়োজনই ছিল না। বাসায় ঢোকার পরপরই আসামিরা প্রাণে মারার ভয় দেখিয়ে ওই ছাত্রীকে বিবস্ত্র করে। ঊর্মির সহায়তায় আসামিরা ছাত্রীর নগ্ন ভিডিও চিত্র ধারণ করে মোবাইলের ক্যামেরায়। ২ নম্বর আসামি লিমন ছাত্রীর ওপর পাশবিক নির্যাতন চালায়। পরে আসামিরা ছাত্রীকে ওই ঘটনা কাউকে না বলার জন্য হুমকি দেয়। কাউকে ঘটনাটি বললে ভিডিও ক্লিপটি ইন্টারনেটে, ফেসবুকে ও মোবাইলে প্রকাশ করার হুমকি দেয়। পরে আসামিরা এসবের ভয় দেখিয়ে ছাত্রীর বাবার কাছে ১ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে। ঘটনা জানাজানি হলে ছাত্রীটির মানসম্মান ক্ষুণ্ন হওয়ার উপক্রম হয় এবং সে মানসিকভাবে ভেঙে পড়ে। পরে নিরুপায় হয়ে ছাত্রীটি থানায় মামলা দায়ের করতে বাধ্য হয়। এ ব্যাপারে শাহপরান থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) লিয়াকত আলী জানান, আসামিদের গ্রেফতারের জন্য দক্ষিণ সুরমা, গোলাপগঞ্জসহ তিনটি উপজেলায় এ পর্যন্ত পুলিশ অভিযান চালিয়েছে। এছাড়া ভিডিও ক্লিপটি যেসব মোবাইলের দোকানে রয়েছে, সেসব ব্যবসায়ীকেও আইনের আওতায় আনা হবে বলে জানান তিনি।
বাজিতপুরে ধর্ষণ : কিশোরগঞ্জের বাজিতপুর উপজেলার দীঘিরপাড় ইউনিয়নের সাহাপুর মোহাম্মদপুর গ্রামে প্রেমিকের প্রতারণার শিকার হয়ে ধর্ষিত হয়েছে এক কিশোরী। ধর্ষক ওই প্রতারক মো. দ্বীন ইসলামের ছেলে জহিরুল ইসলাম। রোববার রাতে এ ঘটনা ঘটে।
বগুড়ায় পুড়িয়ে মারার চেষ্টা : বগুড়ার দুপচাঁচিয়ায় রোববার সন্ধ্যায় যৌতুক দাবিতে স্ত্রী সাবিনা ইয়াসমিনকে শরীরে স্পিরিট ঢেলে আগুন দিয়ে হত্যার চেষ্টা চালিয়েছে স্বামী ফারুক হোসেন। এ ব্যাপারে মামলা দায়ের হলে পুলিশ ফারুক হোসেনকে গ্রেফতার করেছে। ফারুক হোসেন উপজেলা সদরের ধাপ গ্রামের নজরুল ইসলামের ছেলে।
থানা সূত্রে জানা গেছে, জয়পুরহাট জেলার আক্কেলপুর উপজেলার হালির মোড় ভাণ্ডারিপাড়ার আবু বকর ছিদ্দিকের মেয়ে সাবিনা ইয়াসমিনের সঙ্গে সাত বছর আগে ফারুক হোসেনের বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই ফারুক ও তার পরিবারের লোকজনরা যৌতুকের দাবিতে বিভিন্ন সময় সাবিনা ইয়াসমিনকে নির্যাতন করছিল। সবশেষে শুক্রবার দুপুরে ফারুক ও তার পরিবারের লোকজন সাবিনা ইয়াসমিনের ওপর নির্যাতন করতে থাকে। একপর্যায়ে তার শরীরে স্পিরিট ঢেলে আগুন লাগিয়ে দেয়। এ সময় তার চিত্কারে প্রতিবেশীরা এসে তাকে উদ্ধার করে স্থানীয় একটি ক্লিনিকে ভর্তি করেন।
সিলেটে কলেজছাত্রীর নগ্ন ছবি নিয়ে তোলপাড় : বখাটেদের খপ্পরে পড়ে সামাজিক ও মানসিক নিপীড়নের শিকার হয়েছে সিলেটের গোলাপগঞ্জ উপজেলার এক কলেজছাত্রী। তার নগ্ন ভিডিও ক্লিপ মোবাইলের মাধ্যমে প্রচার করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। সিলেটের শাহপরান থানায় এ ঘটনায় ভুক্তভোগী ওই ছাত্রী পাঁচ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত আরও ৩-৪ জনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেছেন। পরে বুধবার সন্ধ্যায় কদমতলী পয়েন্ট থেকে কম্পিউটারসহ সুলতান নামের এক ব্যবসায়ীকে আটক করেছে পুলিশ। এছাড়া ওই রাতেই মামলার ১ নম্বর আসামি দক্ষিণ সুরমার পালপুর গ্রামের বাবুল মিয়ার মেয়ে ঊর্মিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পরদিন কুশিঘাট এলাকা থেকে মিজান আহমদ নামে অপর এক যুবককে পুলিশ গ্রেফতার করেছে।
ঊর্মির দেয়া তথ্যমতে, পুলিশ দক্ষিণ সুরমা ও সিলেট নগরীর বিভিন্ন স্থানে অন্যান্য আসামিকে গ্রেফতারের জন্য অভিযান অব্যাহত রেখেছে। আসামিরা হচ্ছে— দক্ষিণ সুরমা উপজেলার জৈনপুর গ্রামের শানুর মেম্বারের ছেলে লিমন, শিববাড়ী এলাকার কয়েছ, পালপুর কুশিঘাট গ্রামের রাব্বি, মাছিমপুরের মৃত চান মিয়ার ছেলে শাহীসহ অজ্ঞাত ৩-৪ জন। বাদী কলেজছাত্রী তার লিখিত এজাহারে উল্লেখ করেছেন, আসামি ঊর্মির সঙ্গে তিনি চলতি বছর ইছরাব আলী উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজ থেকে এসএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেন। বর্তমানে ছাত্রীটি নগরীর একটি কলেজে অধ্যয়নরত। ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক থাকার সুবাদে গত ১১ সেপ্টেম্বর ঊর্মি একটি সিএনজি অটোরিকশাযোগে জন্মদিনের অনুষ্ঠানের কথা বলে তাকে নিয়ে যায় শাহজালাল উপশহরের একটি বাসায়। সেখানে জন্মদিনের অনুষ্ঠানের কোনো আয়োজনই ছিল না। বাসায় ঢোকার পরপরই আসামিরা প্রাণে মারার ভয় দেখিয়ে ওই ছাত্রীকে বিবস্ত্র করে। ঊর্মির সহায়তায় আসামিরা ছাত্রীর নগ্ন ভিডিও চিত্র ধারণ করে মোবাইলের ক্যামেরায়। ২ নম্বর আসামি লিমন ছাত্রীর ওপর পাশবিক নির্যাতন চালায়। পরে আসামিরা ছাত্রীকে ওই ঘটনা কাউকে না বলার জন্য হুমকি দেয়। কাউকে ঘটনাটি বললে ভিডিও ক্লিপটি ইন্টারনেটে, ফেসবুকে ও মোবাইলে প্রকাশ করার হুমকি দেয়। পরে আসামিরা এসবের ভয় দেখিয়ে ছাত্রীর বাবার কাছে ১ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে। ঘটনা জানাজানি হলে ছাত্রীটির মানসম্মান ক্ষুণ্ন হওয়ার উপক্রম হয় এবং সে মানসিকভাবে ভেঙে পড়ে। পরে নিরুপায় হয়ে ছাত্রীটি থানায় মামলা দায়ের করতে বাধ্য হয়। এ ব্যাপারে শাহপরান থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) লিয়াকত আলী জানান, আসামিদের গ্রেফতারের জন্য দক্ষিণ সুরমা, গোলাপগঞ্জসহ তিনটি উপজেলায় এ পর্যন্ত পুলিশ অভিযান চালিয়েছে। এছাড়া ভিডিও ক্লিপটি যেসব মোবাইলের দোকানে রয়েছে, সেসব ব্যবসায়ীকেও আইনের আওতায় আনা হবে বলে জানান তিনি।
বাজিতপুরে ধর্ষণ : কিশোরগঞ্জের বাজিতপুর উপজেলার দীঘিরপাড় ইউনিয়নের সাহাপুর মোহাম্মদপুর গ্রামে প্রেমিকের প্রতারণার শিকার হয়ে ধর্ষিত হয়েছে এক কিশোরী। ধর্ষক ওই প্রতারক মো. দ্বীন ইসলামের ছেলে জহিরুল ইসলাম। রোববার রাতে এ ঘটনা ঘটে।

২৩ টি মন্তব্য |
২৪৪ বার প্রদর্শিত 









