টেকনাফে বৌদ্ধ-হিন্দুপল্লির ক্ষতিগ্রস্তদের আকুতি
শেখ হাসিনারে হাছে পাইলে অঁই রাইতের হতা ফুঁনাইতাম!
গিয়াস উদ্দিন, টেকনাফ (কক্সবাজার) | তারিখ: ০৮-১০-২০১২
‘অঁই দিন রাইতিয়া ইতারার মাইর-ধইর, বাজ্জা-বারি, অইন দিইরে ঘর পুঁড়াদ দিইয়রে আঁই ত-ভাই, মরি গিলাম গই। আইজ্যা হাত দিন পইজ্জন্ত ক্যান গরি বাঁচিত আছি হতই নফারি। অঁই দিন অইতে আঁরারে চাইত ডঅর অডর মানুষ আইচ্ছে। হনিক্যারে আঁরার মনর দুঃখর হতা হইত নফাইল্লাম। পুন্নিদে রামুদ শেখ হাসিনা আয়ের। তারে হাছে পাইলে অঁই রাইতিয়া মানসে কি গইজ্যা দুঃখর হতা ফুঁনাইতাম। আঁর মনর ভিতরর অইন নিবাইতাম।’
কথাগুলো বললেন কক্সবাজারের টেকনাফে হোয়াইক্যং জুয়াড়িখোলা গ্রামের বাসিন্দা যতীন শর্মার স্ত্রী ওই ঘটনায় অজ্ঞান অবস্থায় বাড়ির পাশে জঙ্গলে পড়ে থাকা বুচি শর্মা ওরফে মিনু শর্মা।
গত শনিবার সকালে সরেজমিনে হোয়াইক্যং ইউনিয়নের পাহাড়ি এলাকায় অবস্থিত জুয়াড়িখোলা সংখ্যালঘু বৌদ্ধ ও হিন্দুপল্লিতে গিয়ে দেখা যায়, খোলা আকাশের নিচে গাছের ছায়ায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের লোকজন বসে রয়েছে। আগুনে পুড়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হওয়া বসতবাড়ির গৃহিণী বুচি শর্মা একনজরে তাকিয়ে আছেন পুড়ে যাওয়া সেই বাড়ির দিকে। তাঁর আঞ্চলিক কথাগুলোর অর্থ দাঁড়ায় এমন, ‘ওই দিন রাতে মারধর করে আগুন দিয়ে বাড়িঘর জ্বালিয়ে দিয়েছিল দুষ্কৃতকারীরা। ওই সময় আমি জ্ঞান হারিয়ে ফেলি। আজ সাত দিন পর্যন্ত কোনোরকমে বেঁচি আছি। সেদিন থেকে আমাদের গ্রামে এমপি, সাবেক মন্ত্রীসহ বিভিন্ন ধরনের লোকজন এসেছিলেন। কিন্তু কাউকে মনের দুঃখের কথা বলতে পারিনি। শুনেছি, রামুতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আসছেন, কিন্তু টেকনাফে আসছেন না। তিনি যদি আমাদের গ্রামে আসতেন, তাঁকে ওই রাতের ঘটনার কথা মনভরে বলতে পারতাম এবং মনের আগুন নেভাতে পারতাম।’
কথাগুলো বললেন কক্সবাজারের টেকনাফে হোয়াইক্যং জুয়াড়িখোলা গ্রামের বাসিন্দা যতীন শর্মার স্ত্রী ওই ঘটনায় অজ্ঞান অবস্থায় বাড়ির পাশে জঙ্গলে পড়ে থাকা বুচি শর্মা ওরফে মিনু শর্মা।
গত শনিবার সকালে সরেজমিনে হোয়াইক্যং ইউনিয়নের পাহাড়ি এলাকায় অবস্থিত জুয়াড়িখোলা সংখ্যালঘু বৌদ্ধ ও হিন্দুপল্লিতে গিয়ে দেখা যায়, খোলা আকাশের নিচে গাছের ছায়ায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের লোকজন বসে রয়েছে। আগুনে পুড়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হওয়া বসতবাড়ির গৃহিণী বুচি শর্মা একনজরে তাকিয়ে আছেন পুড়ে যাওয়া সেই বাড়ির দিকে। তাঁর আঞ্চলিক কথাগুলোর অর্থ দাঁড়ায় এমন, ‘ওই দিন রাতে মারধর করে আগুন দিয়ে বাড়িঘর জ্বালিয়ে দিয়েছিল দুষ্কৃতকারীরা। ওই সময় আমি জ্ঞান হারিয়ে ফেলি। আজ সাত দিন পর্যন্ত কোনোরকমে বেঁচি আছি। সেদিন থেকে আমাদের গ্রামে এমপি, সাবেক মন্ত্রীসহ বিভিন্ন ধরনের লোকজন এসেছিলেন। কিন্তু কাউকে মনের দুঃখের কথা বলতে পারিনি। শুনেছি, রামুতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আসছেন, কিন্তু টেকনাফে আসছেন না। তিনি যদি আমাদের গ্রামে আসতেন, তাঁকে ওই রাতের ঘটনার কথা মনভরে বলতে পারতাম এবং মনের আগুন নেভাতে পারতাম।’
0
comments
Posted in

২৩ টি মন্তব্য |
২৪৪ বার প্রদর্শিত 









