ব দ লে যা ও ব দ লে দা ও মি ছি ল
সাইবার অপরাধ ও ফেসবুক আইডি
সাঈদ চৌধুরী | তারিখ: ১১-১০-২০১২

‘বদলে যাও বদলে দাও মিছিল’ ব্লগে দেশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ও নির্বাচিত ১১টি ইস্যু নিয়ে অব্যাহত আলোচনা হচ্ছে। আজ ‘সাইবার অপরাধমুক্ত দেশ চাই’ ইস্যুতে একটি বিশ্লেষণাত্মক অভিমতসহ আরও দুজন লেখকের নির্বাচিত মন্তব্য ছাপা হলো।
সামাজিক যোগাযোগের ক্ষেত্রে ফেসবুকের প্রয়োজনীয়তা এখন অপরিহার্যতার দিকে নিয়ে গেছে। ৪ অক্টোবর এর সদস্যসংখ্যা ১০০ কোটি ছাড়িয়েছে। প্রযুক্তিকে থামানো যায় না। স্বমহিমায় এগিয়ে যায়, গ্রহণযোগ্যতা বাড়ায়। বাংলাদেশেও ফেসবুক ব্যবহারকারীর সংখ্যা দিন দিন বাড়ছে, বাড়বে। তুলনামূলক বেশি বাড়ছে কিশোর-তরুণদের মধ্যে। ফেসবুক আইডিতে একজন মানুষের পরিচয় ও রুচি সম্পর্কে প্রাথমিক ধারণা হয়ে যায়। কারও আইডিতে ঢুকে যদি দেখা যায় তিনি তাঁর জীবন চলার পথের একটি
ডায়েরি হিসেবে এটাকে ব্যবহার করছেন, আমরা ধরে নিতে পারি তিনি ব্যক্তিত্ববান। কিন্তু দুঃখজনকভাবে কারও কারও ক্ষেত্রে দেখা যায় বিকৃত মানসিকতার অভিব্যক্তি।
অবাক হই যখন দেখি একটি কৈশোর বয়সের ছেলে বা মেয়ে অর্ধনগ্ন ছবি প্রোফাইল পিকচার করে নিজেকে প্রকাশ করে। লেখা থাকে প্রিয় ছবি ‘আমেরিকান পাই’। ইন্টারেস্টের জায়গায় থাকে ছেলে বা মেয়েদের নিয়ে অন্তরঙ্গ সময় কাটানো। আমি নিশ্চিত অনেকেই হয়তো এ রকম আইডি দেখে থাকবেন। অনেক প্রাপ্তবয়স্ক মানুষ রয়েছেন যারা ফেসবুকে নিজেদের বিকৃত মানসিকতার ছবি বা লেখা প্রকাশ করে আনন্দ পান। এই অপব্যবহার আমাদের পুরো সমাজব্যবস্থায় আঘাত হেনেছে।
অথচ এই ফেসবুক আইডি সহজেই হতে পারে মুক্তমনের পরিচায়ক। যে কেউ জ্ঞানসঞ্চারণী যেকোনো তথ্য দিয়ে বন্ধুদের সহায়তা করতে পারেন, সমাজকে সাহায্য করতে পারেন। যদি ফেসবুকে খবর জানতে চান তবে লাইক করতে পারেন পৃথিবীর যেকোনো সংবাদপত্রের ওয়েবসাইটকে বা যদি জ্ঞানবিজ্ঞান-বিষয়ক কোনো কিছু জানতে চান তবে লাইক করুন এ-সংক্রান্ত সাইটগুলোকে। ব্যক্তিগত উদ্যোগে আপনি যে এলাকায় বসবাস করেন, তার ইতিহাস, ঐতিহ্য, সংস্কৃতি বা পর্যটনে আকৃষ্ট করার স্থানের ছবি দিয়ে তথ্য প্রচারও করতে পারেন। এভাবে নিজের জন্মস্থানকে শেয়ারের মাধ্যমে একদিন দেখা যাবে অজানা ওই স্থানটি আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃতি লাভ করেছে। একজন মানুষের মাধ্যমেও এগিয়ে যেতে পারে দেশ। ফেসবুকের ব্যবহারে রাজনীতিক সংস্কৃতির মোড়ও ঘুরিয়ে দিতে পারে আমাদের দেশে। যদি নতুন নেতৃত্ব সৃষ্টি করতে ফেসবুকের সাহায্য নেওয়া হয়, তা-ও অনেক বড় কাজ হতে পারে।
অনেক কাজের জন্যই ফেসবুক ব্যবহার করতে হয় বা করা উচিত। একজন স্কুলপড়ুয়া ফেসবুক ব্যবহার করুক, কিন্তু তাকে ব্যবহারের ভালো দিকটি শেখাতে হবে। সেও পারে তার স্কুল, তার শৈশব বা তার ভাবনাগুলো সবার মধ্যে ছড়িয়ে নিজেকে সবার মধ্যে অন্য রকম করে পরিচয় করাতে। শিক্ষাক্ষেত্রেও এই ফেসবুক হতে পারে শক্তিশালী ক্রিয়াশীল মাধ্যম। নোট, লেকচার বা পড়াশোনাবিষয়ক কোনো নিজস্ব ধারণা, যা উত্তর লেখায় বৈচিত্র্য আনতে শেয়ার করা যেতে পারে।
বাংলাদেশের ভৌগোলিক অবস্থানভেদে বসবাস করে বিভিন্ন ছেলেমেয়ে ফেসবুক ব্যবহার করে। যদি তারা আধুনিক পদ্ধতির কৃষি কৌশলের বিবরণ শেয়ারের মাধ্যমে সবাইকে সচেতন করতে পারে, তা-ও আমাদের জাতীয় জীবনে প্রভাব ফেলতে পারে। কিন্তু এত সুযোগ থাকার পরও এর খারাপ ব্যবহারে উৎসাহিত হয়ে যেভাবে কুরুচিপূর্ণ ছবি বা কথা দিয়ে আইডি ভরে রাখে, তা সত্যিই হতাশাজনক এবং উদ্বিগ্নতার সৃষ্টি করে। এই কুরুচিপূর্ণ ফেসবুক আইডি শুধু নিজেকেই খারাপভাবে প্রকাশ করে না, এখান থেকে উৎসাহিত হয় সাইবার অপরাধ। কারণ, দেখে শেখা থেকেই একদিন মানুষ তা প্রমাণ করতে চায়। যারা এসব নষ্ট মানসিকতা প্রকাশ করে চলেছেন, তাঁদের শুধরে নেওয়ার সময় এসেছে। আপনারা বিকৃতিমুক্ত হয়ে প্রকাশ করুন নিজেকে। বরং নিজের আইডিয়া, জীবনের গতিশীলতা ও বুদ্ধিমত্তা উদাত্তভাবে প্রকাশ করুন। বিশ্ববাসী জানবে এই দেশটির মানুষেরা ফেসবুককে কত কার্যকরভাবে ব্যবহার করছে।
সবচেয়ে খেয়াল রাখার বিষয়, কৈশোর বয়সীরা যেন ফেসবুকের বন্ধু নির্বাচনে ভুল না করে। মুঠোফোনে ফেসবুক ব্যবহারে কিছু নীতিমালা বা বাধ্যবাধকতা তৈরি করা উচিত। মুঠোফোনে অশ্লীল ছবি বা লেখা যাতে প্রকাশ না করা যায় এমন সফটওয়্যার ব্যবহার করলে এই সংকট কমে যেতে পারে। এ জন্য মুঠোফোন কোম্পানিগুলোর সবচেয়ে বড় দায়িত্ব। যদি এভাবে অশ্লীলতার চর্চা বাড়তে থাকে তা হলে আমাদের তরুণ সমাজকে মাদক নেশা এবং অপরিপক্ব বয়সে যৌনতাজনিত অপরাধ থেকে ফিরিয়ে আনা কঠিন হয়ে পড়বে। কোনো জিনিসের ভালো ব্যবহার করতে হলে সে ভালো ব্যবহারগুলো সবার মধ্যে জানাতে হবে। ভালো কাজে সরাসরি সাড়া কম থাকলেও মানুষ ভালো কাজকেই বেশি সমর্থন দেয়। এ ব্যাপারে সাধারণ মানুষের সঙ্গে সরকারেরও বিশেষ কিছু পরিকল্পনা থাকা দরকার।
এক দিনেই আমরা ইন্টারনেটের সব ভালো দিকগুলো হয়তো অর্জন করতে পারব না। আমাদের পরিবর্তনের ইচ্ছাটাই বড় শক্তি হতে পারে। এ জন্য সরকারের ডিজিটাল তথ্যপ্রযুক্তি সম্পর্কে একটা সিদ্ধান্তে আসা প্রয়োজন। ইন্টারনেট ব্যবহারের জন্য বয়স ঠিক করে দেওয়া এবং ‘সেইফ সার্চ সফটওয়্যার পদ্ধতি’ আরও শক্তিশালী করতে হবে। যদি যেকোনো বয়সের বাধাহীন ইন্টারনেট ব্যবহার করতে হয় তবে অবশ্যই নির্দিষ্ট জায়গায় নির্দিষ্ট কিছু ঠিকানায় ব্যবহারের ব্যবস্থা করা যেতে পারে।
দেশের বেশির ভাগ অভিভাবক সাধারণ হওয়ায় না বুঝেই ছেলেমেয়েদের ইন্টারনেট সুবিধাযুক্ত মুঠোফোন কিনে দেন। এতে ক্ষতিগ্রস্ত হয় তার সন্তানেরা। তাই প্রতিটি বাবা-মায়েরই এ ব্যাপারে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে এবং এ জন্য বিষয়টি সম্পর্কে জানতে হবে। তাদের জানানোর দায়িত্ব কিন্তু আমাদেরও। আমরা চাইলে ফেসবুককে সাইবার অপরাধ করতে নয়, বরং মূল্যবোধ জাগ্রত করতে কার্যকর ব্যবহার করতে পারি।
সাঈদ চৌধুরী: বদলে যাও বদলে দাও মিছিল ব্লগের নিয়মিত লেখক।
aschowdhury88@gmail.com
ই-মেইল: bjbd@prothom-alo.info
facebook.com/bjbdmichhil
সামাজিক যোগাযোগের ক্ষেত্রে ফেসবুকের প্রয়োজনীয়তা এখন অপরিহার্যতার দিকে নিয়ে গেছে। ৪ অক্টোবর এর সদস্যসংখ্যা ১০০ কোটি ছাড়িয়েছে। প্রযুক্তিকে থামানো যায় না। স্বমহিমায় এগিয়ে যায়, গ্রহণযোগ্যতা বাড়ায়। বাংলাদেশেও ফেসবুক ব্যবহারকারীর সংখ্যা দিন দিন বাড়ছে, বাড়বে। তুলনামূলক বেশি বাড়ছে কিশোর-তরুণদের মধ্যে। ফেসবুক আইডিতে একজন মানুষের পরিচয় ও রুচি সম্পর্কে প্রাথমিক ধারণা হয়ে যায়। কারও আইডিতে ঢুকে যদি দেখা যায় তিনি তাঁর জীবন চলার পথের একটি
ডায়েরি হিসেবে এটাকে ব্যবহার করছেন, আমরা ধরে নিতে পারি তিনি ব্যক্তিত্ববান। কিন্তু দুঃখজনকভাবে কারও কারও ক্ষেত্রে দেখা যায় বিকৃত মানসিকতার অভিব্যক্তি।
অবাক হই যখন দেখি একটি কৈশোর বয়সের ছেলে বা মেয়ে অর্ধনগ্ন ছবি প্রোফাইল পিকচার করে নিজেকে প্রকাশ করে। লেখা থাকে প্রিয় ছবি ‘আমেরিকান পাই’। ইন্টারেস্টের জায়গায় থাকে ছেলে বা মেয়েদের নিয়ে অন্তরঙ্গ সময় কাটানো। আমি নিশ্চিত অনেকেই হয়তো এ রকম আইডি দেখে থাকবেন। অনেক প্রাপ্তবয়স্ক মানুষ রয়েছেন যারা ফেসবুকে নিজেদের বিকৃত মানসিকতার ছবি বা লেখা প্রকাশ করে আনন্দ পান। এই অপব্যবহার আমাদের পুরো সমাজব্যবস্থায় আঘাত হেনেছে।
অথচ এই ফেসবুক আইডি সহজেই হতে পারে মুক্তমনের পরিচায়ক। যে কেউ জ্ঞানসঞ্চারণী যেকোনো তথ্য দিয়ে বন্ধুদের সহায়তা করতে পারেন, সমাজকে সাহায্য করতে পারেন। যদি ফেসবুকে খবর জানতে চান তবে লাইক করতে পারেন পৃথিবীর যেকোনো সংবাদপত্রের ওয়েবসাইটকে বা যদি জ্ঞানবিজ্ঞান-বিষয়ক কোনো কিছু জানতে চান তবে লাইক করুন এ-সংক্রান্ত সাইটগুলোকে। ব্যক্তিগত উদ্যোগে আপনি যে এলাকায় বসবাস করেন, তার ইতিহাস, ঐতিহ্য, সংস্কৃতি বা পর্যটনে আকৃষ্ট করার স্থানের ছবি দিয়ে তথ্য প্রচারও করতে পারেন। এভাবে নিজের জন্মস্থানকে শেয়ারের মাধ্যমে একদিন দেখা যাবে অজানা ওই স্থানটি আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃতি লাভ করেছে। একজন মানুষের মাধ্যমেও এগিয়ে যেতে পারে দেশ। ফেসবুকের ব্যবহারে রাজনীতিক সংস্কৃতির মোড়ও ঘুরিয়ে দিতে পারে আমাদের দেশে। যদি নতুন নেতৃত্ব সৃষ্টি করতে ফেসবুকের সাহায্য নেওয়া হয়, তা-ও অনেক বড় কাজ হতে পারে।
অনেক কাজের জন্যই ফেসবুক ব্যবহার করতে হয় বা করা উচিত। একজন স্কুলপড়ুয়া ফেসবুক ব্যবহার করুক, কিন্তু তাকে ব্যবহারের ভালো দিকটি শেখাতে হবে। সেও পারে তার স্কুল, তার শৈশব বা তার ভাবনাগুলো সবার মধ্যে ছড়িয়ে নিজেকে সবার মধ্যে অন্য রকম করে পরিচয় করাতে। শিক্ষাক্ষেত্রেও এই ফেসবুক হতে পারে শক্তিশালী ক্রিয়াশীল মাধ্যম। নোট, লেকচার বা পড়াশোনাবিষয়ক কোনো নিজস্ব ধারণা, যা উত্তর লেখায় বৈচিত্র্য আনতে শেয়ার করা যেতে পারে।
বাংলাদেশের ভৌগোলিক অবস্থানভেদে বসবাস করে বিভিন্ন ছেলেমেয়ে ফেসবুক ব্যবহার করে। যদি তারা আধুনিক পদ্ধতির কৃষি কৌশলের বিবরণ শেয়ারের মাধ্যমে সবাইকে সচেতন করতে পারে, তা-ও আমাদের জাতীয় জীবনে প্রভাব ফেলতে পারে। কিন্তু এত সুযোগ থাকার পরও এর খারাপ ব্যবহারে উৎসাহিত হয়ে যেভাবে কুরুচিপূর্ণ ছবি বা কথা দিয়ে আইডি ভরে রাখে, তা সত্যিই হতাশাজনক এবং উদ্বিগ্নতার সৃষ্টি করে। এই কুরুচিপূর্ণ ফেসবুক আইডি শুধু নিজেকেই খারাপভাবে প্রকাশ করে না, এখান থেকে উৎসাহিত হয় সাইবার অপরাধ। কারণ, দেখে শেখা থেকেই একদিন মানুষ তা প্রমাণ করতে চায়। যারা এসব নষ্ট মানসিকতা প্রকাশ করে চলেছেন, তাঁদের শুধরে নেওয়ার সময় এসেছে। আপনারা বিকৃতিমুক্ত হয়ে প্রকাশ করুন নিজেকে। বরং নিজের আইডিয়া, জীবনের গতিশীলতা ও বুদ্ধিমত্তা উদাত্তভাবে প্রকাশ করুন। বিশ্ববাসী জানবে এই দেশটির মানুষেরা ফেসবুককে কত কার্যকরভাবে ব্যবহার করছে।
সবচেয়ে খেয়াল রাখার বিষয়, কৈশোর বয়সীরা যেন ফেসবুকের বন্ধু নির্বাচনে ভুল না করে। মুঠোফোনে ফেসবুক ব্যবহারে কিছু নীতিমালা বা বাধ্যবাধকতা তৈরি করা উচিত। মুঠোফোনে অশ্লীল ছবি বা লেখা যাতে প্রকাশ না করা যায় এমন সফটওয়্যার ব্যবহার করলে এই সংকট কমে যেতে পারে। এ জন্য মুঠোফোন কোম্পানিগুলোর সবচেয়ে বড় দায়িত্ব। যদি এভাবে অশ্লীলতার চর্চা বাড়তে থাকে তা হলে আমাদের তরুণ সমাজকে মাদক নেশা এবং অপরিপক্ব বয়সে যৌনতাজনিত অপরাধ থেকে ফিরিয়ে আনা কঠিন হয়ে পড়বে। কোনো জিনিসের ভালো ব্যবহার করতে হলে সে ভালো ব্যবহারগুলো সবার মধ্যে জানাতে হবে। ভালো কাজে সরাসরি সাড়া কম থাকলেও মানুষ ভালো কাজকেই বেশি সমর্থন দেয়। এ ব্যাপারে সাধারণ মানুষের সঙ্গে সরকারেরও বিশেষ কিছু পরিকল্পনা থাকা দরকার।
এক দিনেই আমরা ইন্টারনেটের সব ভালো দিকগুলো হয়তো অর্জন করতে পারব না। আমাদের পরিবর্তনের ইচ্ছাটাই বড় শক্তি হতে পারে। এ জন্য সরকারের ডিজিটাল তথ্যপ্রযুক্তি সম্পর্কে একটা সিদ্ধান্তে আসা প্রয়োজন। ইন্টারনেট ব্যবহারের জন্য বয়স ঠিক করে দেওয়া এবং ‘সেইফ সার্চ সফটওয়্যার পদ্ধতি’ আরও শক্তিশালী করতে হবে। যদি যেকোনো বয়সের বাধাহীন ইন্টারনেট ব্যবহার করতে হয় তবে অবশ্যই নির্দিষ্ট জায়গায় নির্দিষ্ট কিছু ঠিকানায় ব্যবহারের ব্যবস্থা করা যেতে পারে।
দেশের বেশির ভাগ অভিভাবক সাধারণ হওয়ায় না বুঝেই ছেলেমেয়েদের ইন্টারনেট সুবিধাযুক্ত মুঠোফোন কিনে দেন। এতে ক্ষতিগ্রস্ত হয় তার সন্তানেরা। তাই প্রতিটি বাবা-মায়েরই এ ব্যাপারে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে এবং এ জন্য বিষয়টি সম্পর্কে জানতে হবে। তাদের জানানোর দায়িত্ব কিন্তু আমাদেরও। আমরা চাইলে ফেসবুককে সাইবার অপরাধ করতে নয়, বরং মূল্যবোধ জাগ্রত করতে কার্যকর ব্যবহার করতে পারি।
সাঈদ চৌধুরী: বদলে যাও বদলে দাও মিছিল ব্লগের নিয়মিত লেখক।
aschowdhury88@gmail.com
ই-মেইল: bjbd@prothom-alo.info
facebook.com/bjbdmichhil
0
comments
Posted in

২৩ টি মন্তব্য |
২৪৪ বার প্রদর্শিত 









